• মেয়াদী প্রিমিয়াম সেইমুল্য উল্লেখ করে যা একটা বিমা পলিসি কেনার জন্য এক বীমাকৃত প্রদান করে থাকে I
    • এই টেবিলগুলিতে ছাপানো হারগুলি পরিচিত “অফিস প্রিমিয়াম ” হিসেবে I সাধারণত বার্ষিক প্রিমিয়াম স্তরের হয় যা প্রতি বছর দিতে হয় I বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পুরো মেয়াদ জুড়েই এগুলি একই রকম হয় এবং এগুলি একটি বার্ষিক হার হিসেবে প্রকাশ করা হয় I
    • যারা বেশি বিমাকৃতের পলিসি কেনে বীমাকৃত রাশির জন্য তাদের ছাড় দেওয়া হয় I
    • প্রিমিয়ামের ধরনের জন্য ছাড় : প্রিমিউম দেওয়া যায় বার্ষিক, অর্ধ-বার্ষিক, ত্রৈমাসিক বা মাসিক ভিত্তিতে I
    • যত ঘনঘন হবে প্রিমিয়ামের ধরন , ততই পরিষেবার খরচ বাড়বে I
    • অর্ধ-বার্ষিক বা বার্ষিক প্রিমিয়াম এইভাবে ত্রৈমাসিক বা মাসিক প্রিমিয়ামের থেকে প্রশাসনিক খরচ কমায় I তার ওপর , বার্ষিক প্রিমিয়ামে বিমাপ্রদেত্তা সেই অর্থ সারা বছর ধরে কাজে লাগাতে পারে ফলে তার ওপর সাব পায় I তাই বিমাপ্রদেত্তা এগুলির ওপর কিছু ছাড় দিয়ে বার্ষিক বা অর্ধ-বার্ষিক প্রিমিয়াম প্রদানে উৎসাহ যোগায় I
    • ছাড় কোনো জীবনবীমা প্রিমিয়াম নির্ণয়ের বিষয় নয় I
    • স্ট্যান্ডার্ড লাইফ : লক্ষনীয় ভাবে যুক্ত নয় যাতে অতিরক্ত ঝুঁকি হতে পারে এমন বীমাকৃত ব্যক্তিদের একটি গোষ্ঠী I
    • সাধারণ দর : স্ট্যান্ডার্ড লাইফ সম্পন্ন ব্যক্তিদের যে দর চার্জ করা হয় I
    • সাব-স্ট্যান্ডার্ড লাইফ : যদি কোনো ব্যক্তি হৃদযন্ত্রের অসুখ বা ডায়াবেটিসের মত অসুখে ভুগছে যেটি জীবনের বিপদ বহন করে I
    • অতিরিক্ত মাশুল : সাব-স্ট্যান্ডার্ড লাইফ-এর জন্য স্বাস্থ্য এক্সট্রা হিসেবে বিমাপ্রদেত্তা অতিরিক্ত প্রিমিয়াম ধার্য করে I
    • মৃত্যুহার হলো প্রিমিয়ামের প্রথম উপাদান I “মর্টালিটি টেবিল ” ব্যবহার করে এটা নির্ধারিত হয় , যা বিভিন্ন বয়সের মৃত্যুহারের একটা অনুমান হয় I
    • মর্টালিটি টেবিলের মৃত্যুহার বাড়লে , প্রিমিয়াম বৃদ্ধি পায় I সুদের হার বাড়লে , প্রিমিয়াম কমে I
    • নিট প্রিমিয়াম : সমস্ত ভবিষ্যৎ দাবির দায়বদ্ধতার ছাড়যুক্ত বর্তমান মূল্য “নিট সিঙ্গল প্রিমিয়াম ” দেয় I নিট সিঙ্গল প্রিমিয়াম থেকে আমরা ” নিট লেভেল অ্যানুয়াল প্রিমিয়াম ” পেতে পারি I এটা হলো নিট সিঙ্গল প্রিমিয়াম যা এমনভাবে লেভেল করা হয় যাতে প্রিমিয়াম দেওয়ার সময়কাল প্রদেয় হয় I
    • গ্রোস প্রিমিয়াম হলো নেট প্রিমিয়াম ও লোডিং নামে মূল্যের যোগফল I
    • লোডিং-য়ের মূল্য নির্ধারণের পথনির্দেশক নীতি :
    • পর্যাপ্ততা : সমস্ত পলিসির মোট লোডিং কোম্পানির মোট অপারেটিং খরচ কভার করতে পর্যাপ্ত হতে হবে I
    • ইকুইটি : প্রকল্পের ধরন , বয়স ও মেয়াদ ইত্যাদির উপর নিভর করে খরচ ও সুরক্ষা মার্জিন প্রভৃতি বিভিন্ন ধরনের পলিসির মধ্যে ন্যায় সঙ্গত ভাবে বন্টিত হওয়া উচিত I ধারনাটি হলো প্রত্যেক শ্রেনীর পলিসির তার নিজস্ব খরচের জন্য অর্থ প্রদান করা উচিত যাতে যতটা সম্ভব একটা শ্রেনীর পলিসির অন্যকে সাহায্য করতে হয় না I
    • প্রতিযোগিতামূলক : ফলস্বরূপ গ্রোস প্রিমিয়ামগুলি কোম্পানিকে প্রতিযোগিতায় তার অবস্থান উন্নতি করতে সক্ষম করে . লোডিং যদি খুব বেশি হয় , তাহলে পলিসি খুব দামী হয়ে যাবে এবং লোকে তা কিনবে না I
    জীবন বিমা প্রদেত্তারা বিভিন্ন ধরনের পরিচালন খরচগুলি হলো :
    এজেন্টদের শিক্ষণ ও নিয়োগ ,
    এজেন্টদের কমিশন ,
    কর্মীদের বেতন ,
    অফিসের জায়গা ,
    অফিসের স্টেশনারি ,
    বিদ্যুত মাশুল ,
    অন্যান্য বিবিধ ইত্যাদি
    একটা নিট প্রিমিয়ামের সাধারণ লোডিং-এর তিনটি অংশ থাকে
    ১) প্রিমিয়ামের একটা অংশ ,
    ২) প্রতি ‘১০০০ বীমাকৃত রাশি ‘ ( বা ফেস মূল্য )-এর জন্য একটা অপরিবর্তনীয় পরিমান যা নিট প্রিমিয়ামের সঙ্গে যুক্ত হয় ,
    ৩) পলিসি প্রতি একটা পরিবর্তনশীলতা পরিমান
    • তামাদি : এর মানে হলো পলিসি গ্রাহক নিজের প্রিমিয়াম প্রদান বন্ধ করেছে I
    • প্রত্যাহার : প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে , পলিসিগ্রাহক পলিসি প্রত্যর্পণ করে এবং পলিসির অর্জিত নগদ মূল্য থেকে একটা পরিমান পাওয়া যায় I
    • তামাদি একটা গুরুতর সমস্যা তৈরী করতে পারে , কারণ এগুলি সাধারণত হয় প্রথম তিন বছরের মধ্যে , সাধারণত সব থেকে বেশি এই ঘটনা ঘটে চুক্তির প্রথম বছরেই I জীবন বিমাপ্রদেত্তারা একটা লোডিং করে নেই এই নির্গমনের আন্দাজ করে ফলস্বরূপ হতে পারে I
    • গ্রোস প্রিমিয়াম = নিট প্রিমিয়াম + খরচের জন্য লোডিং + সম্ভবনার জন্য লোডিং + বোনাস লোডিং
    • উদ্বৃত্ত = সম্পদ – দায়বদ্ধতা
    • বোনাস : একটা চুক্তির অধীনে প্রদেয় মৌলিক সুবিধার সঙ্গে অতিরিক্ত হিসেবে বোনাস প্রদান করা হয় I
    • বোনাসের সবচেয়ে সাধারণ ধরন হলো পূর্বাবস্থা সংক্রান্ত বোনাস I এগুলিকে বলা হয় ” পূর্বাবস্থা সংক্রান্ত ” বোনাস কারণ পলিসিগ্রাহকরা কেবলমাত্র তখনি সেটা পেতে পারেন যখন মৃত্যু হলে বা মেয়াদপূর্তিতে চুক্তিটি যখন দাবির যোগ্য হয় I
    • সরল পূর্বাবস্থা সংক্রান্ত বোনাস : এটা হলো একটা বোনাস যা চুক্তির অধীনে মূল নগদ সুবিধার একটা শতাংশ দিয়ে প্রকাশ করা হয় I ভারতে এর উদাহরণ , এটা ঘোষণা করা হয় প্রতি হাজার বীমাকৃত রাশি পিছু একটা পরিমান হিসেবে I
    • চক্রবৃদ্ধি বোনাস : এখানে কোম্পানি মূল সুবিধার একটি শতাংশ ও ইতিমধ্যে জুড়ে যাওয়া বোনাসকে বোনাস হিসেবে প্রকাশ করে I এইভাবে এটা হলো একটা বোনাসের উপর বোনাস I এটা প্রকাশের উপায় হতে পারে মূল বীমাকৃত রাশির ৮ % হারে , সঙ্গে ইতিমধ্যে জুড়ে যাওয়া বোনাস I
    • প্রান্তিক বোনাস : এই বোনাস চুক্তিতে জোড়ে শুধুমাত্র চুক্তি সমাপ্তির সময়েই (মৃত্যু বা মেয়াদপূর্তির মাধ্যমে ) I শুধুমাত্র আসন্ন বছরের দাবির জন্য বোনাস ঘোষিত হয় , পরবর্তী বছরের কোনো প্রতিশ্রুতি ছাড়াই (পূর্বাবস্থা সংক্রান্ত বোনাসের ক্ষেত্রে ) I এইভাবে ২০১৩ -র ঘোষিত প্রান্তিক বোনাস শুধুমাত্র প্রযোজ্য হবে ২০১৩-১৪ সালে করা দাবির উপরই এবং কোনভাবেই পরবর্তী বছরগুলির জন্য নয় I
    • প্রান্তিক বোনাস নিভর করে চুক্তির মেয়াদের উপর , এবং মেয়াদ বাড়লে এটা বাড়ে I এইভাবে ২৫ বছর ধরে চলা একটা চুক্তির জন্য প্রান্তিক বোনাস ১৫ বছর ধরে চলা একটা চুক্তির তুলনায় বেশি হবে I
    • ইউলিপ-এর প্রিমিয়াম পলিসি আলোকেশন চার্জ , বিনিয়োগ ঝুঁকি প্রিমিয়াম ও মরনশীলতার মাশুল স্বমন্বয়ে গঠিত I
Related Training Material  IC38 Mock Test Gujarati 2