অধ্যায় ১৫ : দাবি

  • দাবি দু-ধরনের . মৃত্যুকালীন দাবি ও জীবিতকালীন দাবি I
  • এখন পলিসির শর্তের উপর একটি দাবি করা হলো নিদিষ্ট ঘটনার উপর যা ঘটেছে I
  • কৃষ্ণ কুমার সংকটপূর্ণ অসুস্থতার রাইডার সহ ২ লাখ টাকার একটি বিমা সুরক্ষা নিয়েছেন I দুর্ভাগ্যবশত তিনি একটি অগ্নি দুর্ঘটনায় গুরুতর ভাবে পুরে গেলেন I তাকে ত্বক প্রতিস্থাপনের জন্য সার্জারি করাতে হলো I
  • কিছু উদাহরণ দেখা যাক যেখানে চুক্তির শর্তে সামান্য পরিবর্তন হয় I
  • জীবন বিমা চুক্তির অধীনে দাবি বিমা চুক্তির আওতায় এক বা একাধিক ঘটনা দ্বারা আলোড়ন সৃষ্টি করে I যেখানে কিছু দাবিতে চুক্তি বহাল থাকে , অন্যদের ক্তেত্রে চুক্তি সমাপ্ত হয়ে যায় I
  • দাবি হলো একটি চাহিদা যেটি বিমাপ্রদেত্তা একটি চুক্তিতে উল্লিখিত ভালো প্রতিশ্রুতি করবেন I
  • শুধুমাত্র বিমাকৃতের মৃত্যু হলেই মৃত্যুকালীন দাবি সংগঠিত হয় যেখানে জীবিতকালীন দাবি এক বা একাধিক কারণে সংগঠিত হয় I

জীবিতকালীন দাবি নির্দেশক কিছু উদাহরণ হলো :

১. পলিসির মেয়াদপূর্তি ;

২. মানি ব্যাক পলিসিতে কিস্তি পাওয়া ;

৩. পলিসিতে সংকটপূর্ণ অসুস্থতার সুবিধা পাওয়া এক রাইডার হিসেবে ;

৪. পলিসিগ্রাহক বা স্বত্বনিয়োগী দ্বারা পলিসির স্বত্বত্যাগ I

দেখা যাক জীবনবীমার বিভিন্ন প্রকল্পে ভিন্ন ভিন্ন ঝুঁকি সুরক্ষা দেয় I

বিমা প্রকল্পঝুঁকি সুরক্ষা
মেয়াদী/আজীবন/এন্ডমেন্ট পলিসিবিমাগ্রাহকের জীবন
রাইডারসহ এন্ডমেন্ট পলিসিস্থায়ী অক্ষমতার সুবিধা : অঙ্গ হানি , চোখের দৃষ্টি , শ্রবণ , বাচন ইত্যাদি I

সংকটপূর্ণ অসুস্থতার সুরক্ষা : ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য মেডিকেল খরচ , হৃদযন্ত্রের সার্জারি , স্তরক , কিডনি বিকলতা , গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ প্রতিস্থাপন , আগুনে পোড়া , সম্পূর্ণ অন্ধত্ব ইত্যাদি I

দুর্ঘটনাজনিত সুবিধা : দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে

দাবির ঘটনা নিরুপন

দেখা যাক ভিন্ন ভিন্ন স্তরে কিভাবে দাবির ঘটনা নিরুপন করা হয় I

দাবির ধরনসংঘঠিত ঘটনা
জীবিত কালীন দাবিপলিসির শর্ত অনুযায়ী ঘটনা ঘটলে
মেয়াদপূর্তির দাবি / মানি ব্যাক কিস্তিনিজে থেকেই চুক্তির পলিসির শুরুর সময় স্থিরীকৃত তারিখ অনুযায়ী
স্বত্বত্যাগ মূল্য প্রদানবিমাগ্রাহকের পলিসি বাতিল করা বা তুলে নেওয়ার উপর নির্ভর করে
সংকটপূর্ণ অসুস্থতার রাইডারদাবির প্রমান হিসিবে বীমাকৃত দ্বারা প্রেরিত মেডিক্যাল ও অন্যান্য তথ্যের উপর নির্ভর করে

 

পলিসি মেয়াদের মধ্যে দাবি ঘটলে

জীবিতকালীন সুবিধা প্রদান : পলিসির মেয়াদকালের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর বিমাপ্রদেত্তার দ্বারা বিমাকৃতকে মেয়াদী কিস্তি মেটানো হয় I পলিসি বন্ড টাকা প্রদানের সত্যায়ন করার পর বিমা গ্রাহককে ফেরত দেওয়া হয় প্রত্যেক জীবিতকালীন সুবিধা প্রদানের পর I

উদাহরণ : রঞ্জিতের ২৫ বছর মেয়াদের ১ লাখ টাকার একটি মানি ব্যাক পলিসি আছে I সে জীবিতকালীন সুবিধার প্রথম কিস্তি পেয়েছে ৪ বছর আগে I

পলিসির স্বত্বত্যাগ : বিমা গ্রাহক মেয়াদপূর্তির আগে পলিসি বন্ধ করে দিতে পারে I এটি চুক্তির একটি সমাপ্তি I

উদাহরণ : বিমল ভার্মার একটি ১ লাখ টাকার ১৫ বছরের জীবন বিমা আছে I তিনি ৫ বছর প্রিমিয়াম জমা দিয়েছে I এখন সে পলিসিটি আর চালাতে চান না , কারণ তিনি দেশের বাইরে চলে যাচ্ছেন I বিমল ভার্মা পলিসিটি স্বত্বত্যাগ করে স্বত্বত্যাগ মূল্য নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন I

 

  • যদি পলিসিটি পরিশোধিত মূল্য প্রাপ্তি ঘটে তাহলেই বিমাগ্রাহক পলিসিতিকে স্বত্বত্যাগ করতে পারে I বিমাকৃতকে স্বত্বত্যাগ মূল্য পরিশোধ করা হয় I এটি সাধারণত প্রিমিয়াম প্রদানের একটি শতাংশ I একটি নুন্যতম নিশ্চিত স্বত্বত্যাগ মূল্যের ( জি এস ভি ) ব্যবস্থাও আছে I যাইহোক , প্রকৃত স্বত্বত্যাগ মূল্য যা বিমাকৃতকে প্রদান করা হয় তা জি এস ভি -এর থেকে বেশি হয় I
  • রাইডারের সুবিধা : শর্ত ও বিধি অনুযায়ী ঘটনা ঘটলেই বিমা কোম্পানি একটি রাইডারের দাবি পূরণ করে I সংকট পূর্ণ অসুস্থতার রাইডারের ক্ষেত্রে , জটিল রোগের চিকিৎসা করা হলে , শর্ত অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট পরিমান টাকা প্রদান করা হয় I এই অসুস্থতা বিমাকোম্পানি দ্বারা নির্দিষ্ট করে দেওয়া জটিল রোগ গুলির মধ্যে হতে হবে I
  • হাসপাতাল যত্ন সংক্রান্ত রাইডারের ক্ষেত্রে , বিমাকৃতের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঘটনায় বিমাপ্রদেত্তা চিকিৎসার খরচ প্রদান করবে , শর্ত ও বিধি অনুযায়ী I

রাইডারের দাবি দেওয়ার পরও পলিসির চুক্তি বলবৎ থাকবে I

উদাহরণ : কৃষ্ণ কুমার সংকট পূর্ণ অসুস্থতার রাইডার সহ ২ লাখ টাকার একটি জীবন বিমা কিনেছে I দুর্ভাগ্যবশত তিনি একটি অগ্নি দুর্ঘটনায় গুরুতর ভাবে পুরে গেলেন I তাকে ত্বক প্রতিস্থাপনের জন্য সার্জারি করাতে হলো I এখন পলিসির শর্তের উপর একটি দাবি করা হলো নিদিষ্ট ঘটনার উপর যা ঘটেছে I

পলিসির মেয়াদের পর সংঘঠিত দাবি : নিচের দাবিগুলি পলিসির মেয়াদের পর সংঘঠিত হয় :

মেয়াদপূর্তির দাবি : বিমাপ্রদেত্তা মেয়াদের শেষে একটি নির্দিষ্ট পরিমান টাকা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেয় , যদি বীমাকৃত পুরো মেয়াদ জীবিত থাকে I এটি মেয়াদপূর্তির দাবি নাম পরিচিত I

উদাহরণ : আনমোল শর্মা ১৯৯৮ সালে জুন মাসে ১০ বছরের জন্য ১ লাখ টাকার একটি জীবন বিমা কিনেছিল I তার পলিসি ২০০৮ সালে মেয়াদ পূর্তি ঘটল I তিনি মেয়াদপূর্তির দাবি হিসেবে ১ লাখ টাকা এবং সঙ্গে পুঞ্জিভূত বোনাস পেল I

মেয়াদপূর্তির মূল্য প্রদান

পলিসির মেয়াদপূর্তির মূল্য বিমাকৃতের পছন্দের পলিসির ধরনের উপর নির্ভর করে I

পলিসির ধরনমেয়াদপূর্তির মূল্য
অংশগ্রহণকারী প্রকল্পনা দেওয়া অর্থ যেমন বকেয়া প্রিমিয়াম এবং পলিসির ঋণ ও তার সুদ বাদ দিয়ে পুঞ্জিভূত বোনাস সহ বিমারাশি
কিস্তি ফেরতের প্রকল্পপ্রকল্পের পুরো মেয়াদে দেয় মোট প্রিমিয়াম
ইউলিপফান্ড ভ্যালু
মানি ব্যাক প্রকল্পইতিমধ্যে প্রাপ্ত জীবিতকালীন সুবিধার বাদ দিয়ে মেয়াদপূর্তির দাবি

 

মেয়াদপূর্তির দাবি মেটানোর আগে যাচাই

বিমা প্রদেত্তা অবগত থাকে যে দাবি মেটানোর জন্য সমস্ত শর্ত ও প্রয়োজনীয়তা মানা হয়েছে I

সমস্ত প্রিমিয়াম দেওয়া হয়েছে কিনা পরীক্ষা করা

কোনো ঋণ নেওয়া হয়েছিল কিনা এবং আসল ও সুদ পরিশোধ হয়েছে কিনা পরীক্ষা করা

বোনাসের পরিমান হিসেব করা , যদি থাকে

পলিসিটি স্বত্বনিয়োগ হয়েছে কিনা পরীক্ষা করা

মৃত্যুকালীন দাবি : মৃত্যুকালীন দাবি নিষ্পত্তির পদ্ধতি মেয়াদ পূর্তির দাবি নিষ্পত্তির পদ্ধতির তুলনায় কঠিন I

মৃত্যুকালীন দাবির ক্ষেত্রে , বীমাকৃত ব্যক্তি যিনি মারা গিয়েছেন তার নমিনি বা নির্ভরশীল ব্যক্তির কাছ থেকে বিমাপ্রদেত্তা মৃত্যুসংবাদ পায় I এরপর বিমাপ্রদেত্তা দাবি নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয় I

যদি বীমাকৃত ব্যক্তি তার পলিসির মেয়াদের মধ্যে মারা যায় , দুর্ঘটনা বা অন্য কোনো কারণে , বিমাপ্রদেত্তা তখন অংশগ্রহণকারী পলিসির ক্ষেত্রে সঞ্চিত বোনাস সহ বিমারাশি ,বকেয়া বাদ দিয়ে যেমন বকেয়া পলিসি ঋণ এবং সুদসহ প্রিমিয়াম , প্রদান করে I

মৃত্যুকালীন দাবি প্রদান করা হয় নমিনিকে, স্বত্বনিয়োগীকে বা আইনত উত্তরাধিকারীকে অথবা অবস্থার পরিপেক্ষিতে নির্ভরশীল ব্যক্তিকে I

একটি মৃত্যুকালীন দাবি হলো বিমাগ্রহিতার মৃত্যুর কারণে বিমা চুক্তির সমাপ্তি I

বিমা প্রদেত্তা মৃত্যুকালীন দাবির ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেয় দাবি করার পর I যাইহোক মেয়াদপূর্তির দাবির জন্য, বিমাগ্রাহকের কোনো দাবির প্রয়োজন নেই I

মৃত্যুকালীন দাবির প্রকার

একটি মৃত্যুকালীন দাবি হতে পারে :

শীঘ্র ( পলিসি মেয়াদের তিন বছরের কম সময়ে ঘটলে ) বা

শ্রীঘ্র নয় ( পলিসি মেয়াদের তিন বছরের পর ঘটলে )

শীঘ্র দাবি : পলিসি শুরু হওয়ার তিন বছরের মধ্যে শীঘ্র মৃত্যুর দাবি উঠলে বেশি মাত্রায় যাচাই করা হয় I বিমা কোম্পানি এইরূপ শীঘ্র মৃত্যুর দাবির ঘটনাগুলি অনুসন্ধান করে I

মৃত্যুকালীন দাবি প্রদানের পূর্বে যাচাই

বিমাপ্রদেত্তা নিম্নলিখিত বিষয়গুলি পরীক্ষা করে :

মৃত্যুর প্রমানমৃত্যুর শংসাপত্র , যদি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে থাকে

কবরস্থান / শ্বশান ঘাটের শংসাপত্র

পুলিসের রিপোর্ট , ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ইত্যাদি , যদি দুর্ঘটনায় মৃত্যু ঘটে থাকে

একজন ব্যক্তির রিপোর্ট যে বিমাকৃতের শ্বশান যাত্রায় উপস্থিত ছিল I

সমস্ত প্রিমিয়াম প্রদানের স্বীকৃতি

 

মৃত্যু পর্যন্ত সমস্ত প্রিমিয়াম প্রদান হয়েছে কিনা যাচাই করা I যদি না হয়ে থাকে বকেয়া প্রিমিয়াম চূড়ান্ত নিষ্পত্তির টাকা থেকে বাদ দেওয়া হবে I
দুর্ঘটনার সুবিধা প্রাপ্তিপলিসিতিতে কোনো দুর্ঘটনাজনিত রাইডার যুক্ত আছে কিনা যাচাই করা I যেমন – দুর্ঘটনার সুবিধাসহ পলিসি এবং দুর্ঘটনার সুবিধা ছাড়া পলিসি I

 

মৃত্যুদাবির ক্ষেত্রে উপস্থাপিত ফর্ম

কিছু ফর্ম দাবি প্রক্রিয়াকরণের সুবিধার্থে বিমা সুবিধাভোগীকে জমা দিতে হয় I সেগুলি হলো :

  • নমিনির দাবির ফর্ম
  • কবরস্থান / শ্বশান ঘাটের শংসাপত্র
  • চিকিৎসাধীন চিকিৎসকের শংসাপত্র
  • হাসপাতালের শংসাপত্র
  • নিয়োগকর্তার শংসাপত্র
  • দুর্ঘটনা জনিত মৃত্যুর ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় আদালত প্রত্যয়িত পুলিস প্রতিবেদন , যেমন- প্রথম তথ্য প্রতিবেদন( এফ আই আর ) , তল্লাস প্রতিবেদন , ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন, অন্তিম প্রতিবেদন
  • পৌরসভা কর্তৃপক্ষ দ্বারা প্রদত্ত মৃত্যু শংসাপত্র

মৃত্যুজনিত দাবির অস্বীকৃতি

  • দাবি প্রক্রিয়াকরণের সময় , যদি বিমাপ্রদেত্তা সনাক্ত করেন যে উপস্থাপক কোনো ভুল বিবৃতি তৈরী করেছেন বা পলিসি প্রাসঙ্গিক বস্তুগত ঘটনা চাপা রেখেছেন , সে ক্ষেত্রে চুক্তি অকার্যকর হয়ে যাবে I পলিসির অধীনে সব সুবিধা বাজেয়াপ্ত করা হবে I যেমন – দাবি অকার্যকর করা হবে , যদি বয়স ভিন্ন হয় I
  • যাইহোক , এই জরিমানা বিমা আইন ,১৯৩৮ -এর ৪৫ নং ধারা – অবিতর্কতার ধারা অনুযায়ী হয়ে থাকে I
  • এই ধারার ব্যাখ্যা এই যে যদি কোনো পলিসিগ্রাহক পলিসি প্রদানের ২ বছর পর্যন্ত যেকোনো সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা অপ্রকাশিত রাখে , তাহলে বিমাপ্রদেত্তার দ্বারা অস্বীকৃত সম্পন্ন হতে পারে যদি প্রস্তাবিত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা মিথ্যে হয় I
  • মৃত্যু অনুমান : ভারতীয় প্রমান আইন অনুযায়ী ৭ বছর কোনো ব্যক্তির খোঁজ পাওয়া না গেলে তার মৃত্যুর অনুমান করা হয় I এক্ষেত্রে আদালতের অডার থাকে হবে যে ওই ব্যক্তি ৭ বছর ধরে নিরুদ্দেশ আছে I আদালতের এদেশের উপর ভিত্তি করে বিমাকম্পানি দাবি নিষ্পত্তি করবে I
  • এটি প্রয়োজনীয় যে আদালত মৃত্যু অনুমান ডিক্রি না দেওয়া পর্যন্ত প্রিমিয়াম দিয়ে যেতে হবে I বিমাপ্রদেত্তা , কনসেশনের বিষয় হিসেবে , সাত বছরের প্রিমিয়াম মুক্তও করতে পারে I

জীবন বিমা পলিসির দাবির পদ্ধতি

  • একটি জীবনবীমা পলিসি সাধারণত বর্ণিত হয় যে দাবির সময় সাধারণত প্রাথমিক তথ্য দাবিদার কর্তৃক বিমাপ্রদেত্তার কাছে জমা দিতে হয় I
  • দাবি গ্রহনের পর জীবন বিমা কোম্পানি তৎক্ষনাৎ তা পূরণের ব্যবস্থা শুরু করে I যদি কোনো রকম প্রশ্ন অথবা তথ্য প্রমাণাদির প্রয়োজন , যতদুর সম্ভব , উত্থাপিত হতে পারে ধীর স্থির পদ্ধতিতে নয় বরং সবকিছু সঙ্গে সঙ্গে I এটি করতে হবে দাবিটি গ্রহণ করার ১৫ দিনের মধ্যে I
  • একটি জীবন বিমার পলিসির দাবি মেটাতে হবে বা সকল প্রাসঙ্গিক কারণ জানিয়ে তা বাতিল করতে পারে I এটি  প্রয়োজনীয় সকল প্রাসঙ্গিক কাগজ পত্র এবং ব্যাখ্যা গ্রহণ করার ৩০ দিনের মধ্যে করতে হয় I
  • অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে , বিমা কোম্পানিকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অনুসন্ধান শেষ করতে হবে I দাবি উত্থাপিত হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে (১৮০ দিনের মধ্যে ) তা শেষ করতে হবে I
  • যখন কোনো একটি দাবি প্রদানের জন্য প্রস্তুত আছে কিন্তু গ্রহীতার প্রকৃত পরিচয়ের অভাবে টাকা প্রদান করা সম্ভব হয় না , তখন বিমাপ্রদেত্তা গ্রহীতার সুবিধার্থে ওই টাকা ধরে রাখে I ওই টাকা তালিকাভুক্ত ব্যাঙ্কের জমাখাতার হারে একটি সুদ লাভ করে ( সমস্ত কাগজপত্র ও তথ্যাদি দাখিল করার ৩০ দিনের মধ্যে যা প্রযোজ্য হবে ) I
  • যে ক্ষেত্রে বিমা প্রদেত্তার দিক থেকে একটি বিমা দাবি প্রক্রিয়া করনে বিলম্ব হয় , জীবন বিমা কোম্পানি দাবিকৃত অর্থের পরিমানের উপর দাবি নিরীক্ষণের আর্থিক বছরের শুরুর সময় স্থিত ব্যাঙ্কের চালু সুদের হার অনুযায়ী ২ শতাংশ বেশি পরিমানে সুদ প্রদান করবে I